বিশ্বকাপের প্রস্তুতি: ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে মাঠে ফিরছে বাংলাদেশ
সাম্প্রতিক সময়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার সুযোগ খুব একটা মেলেনি বাংলাদেশের। তবে ভিন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মানিয়ে নেওয়া ও নতুন কৌশলে খেলার এই বিশেষ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আবারও ত্রিদেশীয় সিরিজে নামছে টাইগাররা।
২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডে প্রথমবারের মতো ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি উঁচিয়ে ধরার পর আর কোনো ওডিআই ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলা হয়নি বাংলাদেশের। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সবশেষ ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে এমন আসরে খেলেছিল দল।
আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবে ওডিআই বিশ্বকাপ। তার আগে আবুধাবিতে জিম্বাবু ও আফগানিস্তানকে নিয়ে আয়োজিত এই সিরিজটি শান্ত-মেহেদিদের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার এক দারুণ সুযোগ। শনিবার জিম্বাবুকের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের এই অভিযান। সিঙ্গেল রাউন্ড-রবিন ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টে শারজাহতে আগামী ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, আর ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার এই টুর্নামেন্টকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, “আমরা যখনই পরিকল্পনা করি, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য মাথায় রেখেই করি। এই মুহূর্তে আমাদের মূল নজর ওডিআই বিশ্বকাপে। ফাইনালের আগে মাত্র দুটি ম্যাচ পাওয়ায় এখানে পিছিয়ে পড়ার কোনো সুযোগ নেই।”
বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশ ৮ অক্টোবর নামিবিয়ায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে। এরপর নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও কোয়ালিফায়ার বি-র মুখোমুখি হবে তারা।
বিশ্বকাপের আগে নামিবিয়ায় এমন আরেকটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার ইচ্ছার কথা জানিয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, “আমরা নামিবিয়ায় খুব একটা খেলিনি। সেখানকার কন্ডিশন দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে খানিকটা আলাদা। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ থেকেই ভালো করা জরুরি, তাই সেখানে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে পারলে দলের জন্য খুব ভালো হতো।”
ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের রেকর্ড খুব একটা সুবিধাজনক নয়। ১৩টি চেষ্টার মধ্যে মাত্র একবারই শিরোপা জিতেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে এই আসরে রয়েছে কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতিও—১৯৯৮ সালে ভারতের মাটিতে কেনিয়াকে হারিয়ে প্রথম ওডিআই জয় কিংবা ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দেওয়া, দুটোই এসেছিল এই ত্রিদেশীয় সিরিজের মঞ্চ থেকেই।























